গফরগাঁও উপজেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের পরিচিতি - শুভ্র মেহেদী

শুভ্র মেহেদী।। গফরগাঁও এর বিশিষ্ট ব্যক্তি এ উপজেলায় অনেক প্রখ্যাত ও বরেণ্য ব্যক্তি জন্ম গ্রহণ করেছেন এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েক জনের বিষয়ে আজ এই ব্লগে আলোচনা করবো।

 গফরগাঁও এর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের  পরিচিতি - শুভ্র মেহেদী শামছুল হুদা পাঁচবাগী ১৮৯৭ সালে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মাইজবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতার নাম মো. রিয়াজ উদ্দিন ও মাতার নাম উম্মে কুলসুম

হযরত মাওলানা মোঃ শামছুল হুদা পাঁচবাগী ()
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিধ ধর্ম প্রচারক। ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা। তিনি ১৯৩৭ সন হতে ১৯৫৪ সন পর্যন্ত তদানিন্তন আইন সভার সদস্য ছিলেন।





 

শফিউর রহমান ভাষা শহীদ  ভাষা শহীদ রচনা  আবুল বরকত ভাষা শহীদ  ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার আনসার ভিডিপি স্কুল এন্ড কলেজ  ভাষা শহীদ রফিক  ভাষা শহীদ সালামের জীবনী  ভাষা শহীদদের নাম  ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর

ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার পাঁচুয়া গ্রামে ১৩২৬ সনের ২৬ আশ্বিন (১৯১৯ খ্রিঃ) তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। স্থানীয় পাঠশালায় কিছুকাল অধ্যয়নের পর দারিদ্রের কারণে লেখাপড়া ছেড়ে তিনি পিতাকে কৃষিকাজে সাহায্য করেন। পনের বছর বয়সে অধিক রোজগারের আশায় একদিন সকলের অজান্তে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ট্রেন যোগে নারায়নগঞ্জ চলে আসেন। সেখানে জাহাজঘাটে তিনি এক ইংরেজ সাহেবের সান্নিধ্যে আসেন এবং তারই সহায়তায় আব্দুল জববার একটি চাকুরি নিয়ে বার্মায় চলে যান। বার্মায় অবস্থানকালে তিনি ইংরেজি ভাষা রপ্ত করেন। প্রায় বারো বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। ১৯৫২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত শাশুড়ির চিকিৎসার জন্য তিনি স্ত্রীসহ ঢাকায় আসেন। ২০ ফেব্রুয়ারী শাশুড়ীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে ব্যাপক জনসমাবেশ ঘটে। আবদুল জববারও সমাবেশে যোগ দেন। সে সময় ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশ গুলি চালালে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।



র‌্যাংলার কিরণ চন্দ্র দেঃ

যে সমস্ত লোক গফরগাঁওতে জন্ম গ্রহণ করে গফরগাঁওকে ধন্য করেছেন তার মধ্যে র‌্যাংলার কিরণ চন্দ্র দে অন্যতম। তিনি লন্ডনের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হতে অংক শাস্ত্রে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান দখল করে ্যাংলার উপাধিতে ভূষিত হন। তৎকালীন ভারতবর্ষে আর মাত্র দুইজন ্যাংলার ছিলেন। একজন ভাটপাড়া নিবাসী ্যাংলার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত। অন্যজন জয়সিদ্ধ গ্রামের স্বনাম ধন্য ব্যক্তি ্যাংলার আনন্দমোহন বসু। আসামের গোয়ালপাড়া জেলার জমিদার প্রমেশ বড়ুয়ার বোনকে বিয়ে করেছিলেন। অল্প কয়েক বছর পরে তাঁর স্ত্রী মারা যান, তিনিও অন্ধ হয়ে যান।



মরহুম গিয়াস উদ্দিন খান পাঠানঃ

গফরগাঁও এর প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আইনজীবি এবং তদানিন্তন পাকিস্তান কেন্দ্রিয় সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। এই ক্ষণজন্মা সমাজকর্মী ১৯৬৪ সালে ঢাকায় ইহধাম ত্যাগ করেন।




 

মাসিক মুঈনুল ইসলাম  মাসিক মদীনা পত্রিকা  মাসিক মদিনা pdf  মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকা  মাসিক পত্রিকা  মাসিক মদিনা বই  মাসিক মদীনা ডাউনলোড  মাসিক মদিনা প্রশ্ন উত্তর মাওলানা মাহফুজুল হক  মাওলানা আজিজুল হক  বয়ান ফাউন্ডেশন  মাওলানা আমির উদ্দিন বসুনিয়া

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাসিক মদিনার সম্পাদক।


 

মরহুম মুন্সি হুরমত উল্লাহঃ

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রখ্যাত নেতা।



কলিমদাদ খানঃ

কবিতা সংকলনফেরারী বসন্তখ্যাত কলিমদাদ খানকে সবাই চেনে। তাঁর লেখা ইংরেজী ব্যাকরণ বই সারা দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।



খোদাদাদ খানঃ

প্রখ্যাত গণিত শাস্ত্রবিদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক এবং গণিত বিষয়ক বহু গ্রন্থের প্রণেতা।




 

আলতাফ হোসেন গোলন্দাজ (১৫ আগস্ট ১৯৪৭ — ১৭ জুলাই ২০০৭) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও ... আলতাফ হোসেন গোলন্দাজ ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার ... "বরেণ্য রাজনীতিবিদ মরহুম আলতাফ হোসেন গোলন্দাজের ঐতিহাসিক


গফরগাঁও এর বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন।




 গফরগাঁও এর বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব,প্রাক্তন জাতীয় সংসদ সদস্য, নাট্যকার সমবায়ী। ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের কয়েক দফা চেয়ারম্যান ছিলেন।



 

বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক। বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বি.এম.) - এর  নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন।



মোহাম্মদ আবুল হাশেমঃ

পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন।



. মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলামঃ

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমএসসিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে ১৯৭২ সালে আমেরিকার টেক্সাস ওম বিশ্ববিদ্যালয় হতে ফিস কালচার ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মৎস্য বিভাগে অধ্যাপনায় যোগদান করেন।  পরবর্তীতে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জার্নাল অব একুয়াকালচার নামক পত্রিকার সম্পাদক।



মরহুম আসকর আলী সরকারঃ

বিশিষ্ট সমাজকর্মী। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে না পারলেও ১৯০৬ সালে কান্দি পাড়া গ্রামে নিজ নামে ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করেন। ১৯৩৫সালে ভারত সংবিধান রচিত হলে সে অনুসারে ইউনিয়ন বোর্ড স্থাপিত হয় এবং তিনি ১৯৪৫ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

চিরকুটবিডি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য